দেশজ প্রকাশনের তিনটিসমকালীন উপন্যাস
সমকালীন ধ্যান ধারণা থেকে শিক্ষা অর্জন ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে উপন্যাসগুলির ভূমিকা অপরিসীম।
সমপযোগী ও বাস্তবধর্মী এই উপন্যাসগুলো উপহার হিসেবে বেশ গুরুত্বপূর্ণ
![]() |
| ক্রয় করতে ক্লিক করুন |
বইটির সারসংক্ষেপ: কুয়াশার ফণা। কাঁটাতারের সীমান্তের ওপারে কুয়াশায় অস্পষ্ট।
সীমান্ত পারাপারে কুয়াশার
কোন বাঁধানিষেধ নেই।
কুয়াশা কাঁটাতারের
এপাশে ফণা তুলে ওপাশে লকলকে জিহবা বিস্তৃত
করে। ঘনঘোর কুয়াশার ফণার ধোঁয়াটে আভার
মধ্যে ভৌতিক অবয়ব ভেসে আসে। নিশ্চুপ
নিস্তব্দ সীমান্তে হঠাৎ জীবন্ত হয়ে ওঠে বুলেটের
শব্দে। নিস্তব্ধতা খান খান হয়ে ভেঙে পড়ে বিকট
শব্দে। সীমান্তের সবুজ সজীব ঘাষে মাঠিতে
রক্তের দাগ! পুষ্পলতা ঝুলছে কাঁটাতারে!
কাঁটাতারে রক্ত ঝরে!
সীমান্তের কাঁটাতারে ঝুলন্ত মৃত কন্যার লাশ নিয়ে
সাইকেল আরোহী পিতা এগিয়ে চলে!
তার সাথে সাথে এগিয়ে চলে বাংলাদেশ ।
পিতা কন্যা হত্যার বিচার চায় না। শুধু চায় দেশের প্রধান, দেশ মা
দেখুক কি হাল সীমান্তের! কি হাল বাংলাদেশের!
![]() |
| ক্রয় করতে ক্লিক করুন |
কতখানি অসহায় একজন পিতা!
কিন্তু সেই যাত্রাও কোন সহজ যাত্রা নয়! সন্তানের লাশ বহনকারী পিতার প্রতিপদে আসে বাঁধা! সেই বাঁধা উপেক্ষা করে এগিয়ে চলে বাংলাদেশ!
বইটির সারসংক্ষেপ: পোষাকের আচ্ছাদনই কি ঘোঁচাতে পারে মানুষের
নগ্নতা? সভ্য করে তুলতে পারে আপাদমস্তক
নির্লজ্জতার আবরণে মুড়ে থাকা একজন নির্লজ্জ মানুষকে?
তথাকথিত সভ্যতার মেকি পলেস্তরার নিচে লুকিয়ে থাকা
মানুষেরা কি জানে বাইরে প্রকাশ্য দৃশ্যমান তাদের অকপট নগ্ন রুপ?
অথচ তারাই কী অবলীলায় নির্লজ্জতার তকমা লাগিয়ে দেয়
তাদের মতো করে ‘সভ্য’ হতে না পারা মানুষগুলোকে!
পোষাকের নগ্নতাকেও স্লান করে দেয় কিছু মানুষের
এই অসভ্য বিকৃত নগ্নতা? তারা তাদের এই বিকৃত পদচারণে
থামিয়ে দিযে যায় সভ্যতার সব অহংকার।
মহীদুল জামান; সততা আর আদর্শের বার্ধনে মুড়ে থাকা আনস্মার্ট মানুষটি
স্ত্রী রোমেনার কাছে ক্ষ্যাত, মিনমিনে একজন নির্লজ্জ মানুষ ।
স্ত্রী রোমেনা, সভ্যতার চকচকে আস্তরণে দিব্যি লুকিয়ে রাখে
ভেতরের কদর্য নগ্নতা । ছেলে রেহানকে সে গড়তে চায় নিজের ছাঁচে।
মেয়ে রায়নার সে নাগাল খুঁজে পায় না,
সে মুগ্ধ হয়ে থাকে তার বাবার আদর্শ আর সরলতায়?
৩. তীর চিহ্ন
![]() |
| ক্রয় করতে ক্লিক করুন |
বইটির সারসংক্ষেপ:
'তীর চিহ্ন' শুরু হয়েছিলো একটা কবিতা দিয়ে 1
মধ্যবিত্ত পরিবারের একটা মেয়ে টিনশেড বাড়িতে
এজমানি বাথরুমে যেতে গিয়ে, স্কুলে যাওয়ার
পথে,বাসায় ঘুমাতে ঘুমাতে গিয়ে নানান জায়গায়
অস্বস্তিকর একটা পরিস্থিতিতে পড়ে ৷ এ রকম
বিষয়বস্তু সংবলিত একটা কবিতা এক দিন
উপন্যাস হয়ে গেলো ৷ নাম পেলো ‘তৃতীয় শ্রেণী ৷'
কিছু দিন পর নাম বদলে হয়ে গেল ‘তীর চিহ্ন ৷'
উপন্যাসে রূপান্তরের পর কাহিনী শুধু মেয়েটির
ৱইলো না৷ তার বাবা মারা গেলো । তার ভইি
উপর্জনের ধান্ধায় ছুটলো যত জায়গা সম্ভব । অন্য
দিকে মেয়েটির বান্ধবীর আবার মা নেই ৷ সে কিছু
বলতে চায় বান্ধবীর ভাইকে । সব কথা কি আর বলা
হয়ে ওঠে । দুজনের রাস্তা দু দিকে চলে গেছে ৷ তীর
চিহ্ন দিয়ে নির্দেশ করা আছে তাদের রাস্তা । সে
রাস্তাই তাদেরকে চলতে হয় ।
Powered By: Imran Ali Shagor



Comments
Post a Comment